1. admin@voicebarta.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ২০২৩ শেসনের নবগঠিত কমিটির সভাপতি শরিফুল ইসলাম ও সেক্রেটারী ইউসুফ আহমাদ মানসুর আখেরী মুনাজাতের মাধ্যমে চরমোনাইর বাৎসরিক মাহফিল সমাপ্ত আওয়ামী লীগ ক্ষমতার নেশায় অন্ধ হয়ে গেছে- পীর সাহেব চরমোনাই ১৭ই সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে হুফফাজের ৪০ দিন ব্যাপী হিফজ‌ মুয়াল্লিম প্রশিক্ষণ কোর্স যুবনেতা শেখ নুরুন নবীর মুক্তি দাবিতে ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম -ইসলামী যুব আন্দোলন আগামী ১৮ই সেপ্টেম্বর গাজীপুর মুফতি রেজওয়ান রফিকীর পরিচালিত মারকাযুন নুর মাদরাসায় ইসলামী মহাসম্মেলন বাংলাদেশের সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথের অবদান নিতান্তই কম- নোবেল সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে এবি পার্টির শোক প্রকাশ পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়া কাপ শিরোপা জয় করলো শ্রীলংকা বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের সদস্য সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশন সম্পন্ন

ইলিশ মাছ ধরা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা

মো.কামাল হোসেন, ঢাকা
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৪৩৩ বার পঠিত

মা ইলিশের প্রজনন নিরাপদের লক্ষ্যে আগামী ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন সাগর, নদ-নদীতে ইলিশ ধরা বন্ধ থাকবে। বুধবার মৎস্য অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। গত বছর ১৩ নভেম্বর থেকে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছিল।

এবারের মৌসুমের শুরু থেকে নদনদীতে ইলিশ সংকট চলছে। সামনের দুটি পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় অবস্থার পরিবর্তন না ঘটলে সংকট দিয়েই মৌসুম শেষ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ শিকার, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ ও ক্রয়-বিক্রয় আইনত দন্ডনীয় অপরাধ।

বুধবারের বৈঠকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আ শ ম রেজাউল করিম বলেন, নিষিদ্ধকালে কোনোভাবেই দেশের জলসীমায় ইলিশ আহরণের অবৈধ প্রচেষ্টা সফল হতে দেওয়া হবে না। এ সময়ের মধ্যে প্রজনন ক্ষেত্রে কোনোভাবেই মা ইলিশ ধরা যাবে না।
মন্ত্রী বলেন, মা ইলিশ থাকতে পারে এমন নদীতে কোনো নৌকাকে মাছ ধরতে দেওয়া হবে না। নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ডের টহলের পাশাপাশি অত্যাধুনিক উপায়ে মনিটর করা হবে, যেন কোনো নৌকা বা জাহাজ ইলিশ ধরতে না পারে। এমনকি বিদেশ থেকে কোনো মাছ ধরার যান্ত্রিক নৌযান এলে সেটাকেও আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আটক করা হবে। নিষেধাজ্ঞাকালীন সরকারের পক্ষ থেকে জেলেপ্রতি ২০ কেজি করে সরকারি সহায়তার চাল বরাদ্দ দেওয়া হবে।
বাংলাদেশে ২০০৩-২০০৪ সাল থেকেই জাটকা রক্ষার কর্মসূচি শুরু করা হয়। তখন থেকেই ধীরে ধীরে ইলিশের উৎপাদন বাড়ছিল। ২০০৮ সাল থেকে প্রথম আশ্বিন মাসে পূর্ণিমার আগে ও পরে মিলিয়ে ১১ দিন মা ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। তখন থেকেই এর সুফল দেখতে শুরু করেন বিজ্ঞানীরা। তখন তারা গবেষণায় দেখতে পান, শুধু পূর্ণিমায় নয়, এই সময়ের অমাবস্যাতেও ইলিশ ডিম ছাড়ে। পরে পূর্ণিমার সঙ্গে অমাবস্যা মিলিয়ে টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া শুরু হয়। গত অর্থবছরে দেশে ৫ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ আহরিত হয়েছে। এর ৬৬ ভাগ এসেছে বরিশাল বিভাগের জেলাগুলো থেকে। এই পরিমাণ তিন লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন।
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনের প্রায় ১২ শতাংশ আসে ইলিশ থেকে। এ বছরের ২৩ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ইলিশের ভরপুর মৌসুম ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার মধ্য দিয়ে শেষ হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2021 Voice Barta
Theme Customize Shakil IT Park